সংবিধান

Home | সংবিধান
water waves

দাওয়াহ                                 সংগঠন                                    শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ                          সমাজসেবা

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম

সংবিধান

ধারা ঃ ১। নাম : এ সংগঠনের নাম এসোসিশয়েন অব ইসলামিক টিচার্স ইউকে

ধারা ঃ ২। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ঃ বৃটনের ভবিষ্যত মুসলিম প্রজন্মকে এদেশের কারিকুলামের সাথে সমন্বয় সাধন করে যথাযত ইসলামী শিক্ষা প্রদান ও বাস্তব জীবনে চারিত্রিক গুনাবলী অনুশীলনের প্রতি উৎসাহ প্রদানের মাধ্যমে ইহকালীন কল্যান ও পরকালীন সাফল্য অর্জন।

ধারা : ৩। কর্ম সূচীঃ এ সংগঠনের চার দফা কর্মসূচী হচ্ছে (ক) দাওয়াহ (ক) সংগঠন (গ) শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (ঘ) সমাজসেবা

(ক) – দাওয়াহ : মুসলিম তথা সমগ্র মানব জাতিকে হেফাজতের জন্য সম্ভাব্য সকল ক্ষেত্রে সৎপথের দাওয়াত প্রদান করা ।

(খ) – সংগঠন: এই সংগঠনের অধীনে ইসলামী শিক্ষকদেরকে সংগঠিত করা।

(গ) – শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: ভবিষ্যত প্রজন্মের মধ্যে ইসলামী শিক্ষা বিস্তারের জন্য সার্বিক প্রচেষ্টা

চালানো ।

(ঘ)- সমাজসেবা : ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দুস্থ, অভাবগ্রস্থ ও বঞ্চিত সকল মানবতার কল্যানে সম্ভাব্য প্রচেষ্টা চালানো ।

ধারা : ৪ । সংগঠনের কাঠামো :

(ক) এই সংগঠনের কাঠামো হবে উপদেষ্টা পরিষদ, কার্যনির্বাহী পরিষদ ও সাধারন সদস্য পরিষদ। (খ) সদস্যদের মধ্যে দুইটি স্তর থাকবে। ১. প্রাথমিক সদস্য ২. পূর্ণ সদস্য।

১. যারা নির্ধারিত ফরম পূরন করবেন তার প্রাথমিক সদস্য বলে গন্য হবেন।

২. যারা সংগঠনের ফরম পূরন, নিয়মিত ফি প্রদান ও সংগঠনের সমুদয় নিয়ম-নীতি মেনে চলবেন তারা পূর্ণ সদস্য বলে গণ্য হবেন। এই পূর্ন সদস্যদের মধ্য থেকে সাধারন নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে কার্যকরী পরিষদ নির্বাচিত হবে।

ধারা ঃ ৫। সংগঠনের সহজাত গুণাবলী ঃ

এই সংগঠন সম্পূর্ণ অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। উক্ত সংগঠনের সম্পত্তি ও সম্পূর্ণ আয়-ব্যয়, সংগঠনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কর্মসূচী বাস্তবায়ন, কর্ম সম্প্রসারন ও আর্থ মানবতার কল্যাণে ব্যয় হবে। এর কোন কিছুই লভ্যাংশ আকারে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোন অবস্থাতেই বিলি বা হস্তান্তর করা যাবেনা ।

ধরা : ৬। সদস্য ভুক্তি :

যে কোন উৎসাহী সুস্থ বিবেক সম্পন্ন নর-নারী এই সংগঠনের সদস্য হতে পরেন, যদি তিনি – অত্র সংগঠনের আদর্শ লক্ষ্য, কর্মসূচী এবং কর্মপদ্ধতির সাথে সম্পূর্নভাবে একমত থাকেন।

ধরা : ৭ সদস্য পদের মেয়াদ কাল :

একজন সদস্য আজীবন সদস্য পদে বহাল থাকতে পারবেন যদি না তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন বা সাংবিধানিক পদ্ধতিতে তার সদস্য পদের বিলুপ্তি ঘটে। অর্থাৎ যদি সংগঠনের স্বার্থ বিরোধী কোন কাজে লিপ্ত আছেন বলে প্রমানিত হয় তাহলে কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধানুযায়ী পরপর ৩টি সংশোধনী নোটিশ প্রদান করা হবে। তার পরও উক্ত সদস্য যদি সংশোধন না হন তাহলে পরবর্তী নোটিশের মাধ্যমে তার সদস্যপদ বাতিল করা হবে।

ধারা ঃ ৮ কমিটি :

১. কার্যকরী কমিটির মেয়াদ হবে দুই বৎসর।

২. নিন্মলিখিত পদগুলির সমন্বয়ে কার্যকরী কমিটি গঠিত হবে।

সভাপতি ১ জন সহ সভাপতি ৩ জন।

(একজন নির্বাচিত আর ২ জন নির্বাচিত ৬ সদস্যের মতামতের ভূত্তিতে)

সাধারন সম্পাদক ১ জন সহ সাধারণ সম্পাদক .জন (১ জন নির্বাচিত, অন্য ১ জন নির্বাচিত ৬ সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে)

সংগঠনিক সম্পাদক ১ জন সহ সংগঠনিক সম্পাদক ১ জন

অর্থ সম্পাদক ১ জন সহ অর্থ সম্পাদক ১ জন।

প্রচার সম্পাদক ১ জন সহ প্রচার সম্পাদক ১ জন।

অফিস সম্পাদক ১ জন সহ অফিস সম্পাদক ১ জন।

সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ১ জন সহ সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ১ জন

নির্বাহী পরিষদ গঠিত হবে ২১ সদস্য নিয়ে।

ধারা ঃ ৯ নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচন পদ্ধতিঃ

(ক) পূর্ব পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার একমাস পূর্বেই উপদেষ্টা পরিষদের মধ্য থেকে তিনজন সদস্যকে নিয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হবে।

(খ) নির্বাচনের ক্ষেত্রে ৩টি নিয়মের যে কোন একটি অনুসরণ করে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

পদ্ধতি সমূহ :

১. শুধু প্রস্তাব এবং সমর্থন এর মাধ্যমে।

২. সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ গোপন ব্যালটে নির্বাচিত হবেন। নির্বাচিত দায়িত্বশীলগণ পূর্ণ কমিটি গঠন করবেন।

৩. প্রত্যক্ষ ভোটে পূর্ন কমিটি (গোপন ব্যালটে) নির্বাচন :

(ক) পূর্ণ সদস্যদের নাম ও পদবী সহকারে একটি ব্যালট পেপার তৈরী করা হবে এবং প্রত্যেক

ভোটারদের হাতে এই ব্যালট পেপার দেয়া হবে। তিনি যাকে যে পদের জন্যে উপযুক্ত মনে করবেন তাকেই ভোট দিতে পারবেন।

(খ) নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোন প্রার্থী থাকবেনা এবং নিজের বেলায় কোন প্রকার প্রচারনা চালানো

যাবেনা ।

(গ) নিজেকে নিজে ভোট প্রদান করতে পারবেনা

(ঘ) যে কোন সময় কার্যকরী কমিটির কোন পদের বিলুপ্ত ঘটলে তা পূরন করা হবে পূর্ন সদস্যদের মধ্য থেকে কাউকে নিয়ে।

(ঙ) সাধারণ পরিষদ যেটা গঠিত হবে তা হবে প্রাথমিক সদস্যদের নিয়ে।

প্রাথমিক সদস্যরা সাধারণ সভা ও শিক্ষামূলক যেকোন সভায় উপস্থিত থাকতে পারবেন।

(ছ) নির্বাচন ১ ও ২ ধারার মাধ্যমে হলে নির্বাচিত ঐ ৬ জনের পরামর্শক্রমে পূর্ণ কার্যকরী কমিটি গঠন করে ঘোষণা দেবেন।

ঙ) কার্যকরী পরিষদে সরাসরি সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত কোনো দায়িত্বশীল একটি পদে দুইবার নির্বাচিত হওয়ার পর তৃতীয়বারের মত উক্ত পদে নির্বাচিত হতে পারবেন না। তবে এক সেশন পর উক্ত পদে আবারো নির্বাচিত হতে কোনো বাধা থাকবেনা ।

১০ কার্যকরী পরিষদের ক্ষমতা

১. সংগঠনের যে কোন বিষয়ে সিন্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা কার্যকরী কমিটির থাকবে ।

২. সংগঠনের তহবিল ও সম্পত্তি কার্যকরী কমিটির উপর ন্যাস্ত থাকবে ।

. কার্যকরী কমিটির কোন সদস্য যদি বিশেষ কারন ব্যাতীত উপর্যুপরী কমিটির ৩টি সভায় অনুপস্থিত থাকেন। তবে কেন তার সদস্যপদ বাতিল করা হবেনা তার ব্যাখ্যা চেয়ে পরবর্তী সভায় উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হবে। তার পরও যদি অনুপস্থিত থাকেন তাহলে তাঁর সদস্য পদের ব্যাপারে কার্যকরী কমিটি সিন্ধান্ত গ্রহন করবেন।

৪ কার্যকরী কমিটির শূণ্যপদ পূরনের জন্যে সভাপতি কার্যকরী কমিটির অনুমোদনক্রমে পূরন

করবেন।

৫. সংগঠন পরিচালনার জন্য অর্থাৎ সার্বক্ষনিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কাউকে সম্মানীর বিনিময়ে নিয়োগ দেয়া যেতে পারে।

১১ বিভাগীয় সম্পাদক : প্রত্যেক বিভাগীয় সম্পাদক সাধারন সম্পাদকের কাছ থেকে সকল সময় নিজ নিজ বিভাগীয় কাজ বুঝে নিতে বাধ্য থাকবেন এবং নিজ দায়িত্বে কাজ সম্পাদন করে সাধারণ সম্পাদকে বুঝিয়া দেবেন। সকল সম্পাদক নিজ নিজ কাজের জন্য কার্যকারী কমিটি ও সাধারন সম্পার্কের কাছে দায়ী থাকবেন ।

অপারগতায়ঃ যদি কোন বিভাগী সম্পাদক যে কোন কারণে নিজ দায়িত্ব পালনে অক্ষম বা অবহেলার দরুন বিভাগীয় কাজে বিঘ্ন ঘটে তাহলে সাধারন সম্পাদক নিজ দায়িত্বে অথবা অন্য কোন পূর্ন সদস্যের মাধ্যমে উক্ত কাজ সম্পাদন করবেন। অথবা সাংবিধানিক কোন কারণে যদি কোন সম্পাদকের পদের বিলুপ্তি ঘটে তবে সাধারন সম্পাদক উপরোল্লিখিত অবস্থায় অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালন করে যাবেন।

ধরা : ১২ সাধারণ সভা : বছরের কমপক্ষে ১ বার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। প্রয়োজনে সংক্ষিপ্ত নোটিশের মাধ্যমে আরো সভা আহবান করা যেতে পারে।

ধরাঃ১৩ অফিসঃ সংগঠনের প্রধান কার্যালয় হবে লন্ডনে প্রয়োজনে ইউকে এর যে কোন স্থানে শাখা

কার্যালয় স্থাপন করা যেতে পারে। তবে এর পূর্বে কোন শহরে শাখা গঠনের ক্ষেত্রে কার্যকরী কমিটির বৈঠকে আলোচনা করে তার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করবেন।

ধারা : ১৪। সাংগঠনিক মেয়াদকাল : ১লা জুন থেকে ৩১শে মে পর্যন্ত এর সাংগঠনিক বছর পরিচালিত

হবে।

ধারা ঃ ১৫: উপদেষ্টা পরিষদ: ব্রিটেনের বসবাসরত বিজ্ঞ ও প্রবীন আলেমদের নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হবে। নব নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি তাদের প্রথম অধিবেশনেই উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করবেন ।

১৫ এর উপ-ধারা : অভিযোগ দায়ের :

সভাপতির বিরুদ্ধে : সভাপতির বিরুদ্ধে যদি কোনো গুরুতর অভিযোগ এসে থাকে তা অবশ্যই উপদেষ্টা পরিষদে পেশ করতে হবে, উপদেষ্টা পরিষদ এর দায়িত্বে অথবা তাদের নিয়োগকৃত কাউকে পরবর্তী ৩ মাসের জন্য ভারপ্রপ্ত সভাপতির দায়িত্ব প্রদান করে সমস্যার সমাধান করবেন। সেক্রেটারী বিরুদ্ধে অভিযোগ :

যদি সেক্রেটারীর বিরুদ্ধে কোন গুরুতর অভিযোগ থাকে তবে সেটা অবশ্যই সভাপতিকে অবগত করতে হবে । উপদেষ্টা পরিষদ এর মনোনীতদেরকে নিয়ে পরবর্তী ৩ মিটিংয়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান করতে হবে। এই সময় সভাপতি কিংবা তার মনোনীত কেউ সেক্রেটারীর দায়িত্ব পালন করবেন।

ধারা: ১৬: সংবিধান সংশোধনীর পূর্ণ ক্ষমতা সাধারণ পরিষদের থাকবে। সংশোধনী প্রস্তাব কার্যকরী কমিটি থেকে সাধারণ সভায় উত্থাপিত হবে এবং সংখ্যাগরিষ্টের মতামতের ভিত্তিতে সংশোধনী পাশ হবে।

ধারা: ১৭: নিবাহী কমিটি দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে নির্বাচন কমিশন এর কাছে শপথ নেবেন, অনুপস্থিত সদস্যরা পরবর্তীতে সভাপতির কাছে শপথ নেবেন।

শপথ :

আমি………………………………………………………………………………পিতা………………………………………………………………………………….

ওয়াদা করছি যে, যদি আমি শারীরীক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকি তাহলে আমার উপর অর্পিত সকল দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করবো। আমি পরিপূর্ণভাবে বিশ্বাস করি যে, সাংগঠনিক পলিসি নিরূপন, নিয়ম শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ইতিবাচক পরিবেশ বজায় রাখা এবং আমার দায়িত্বের প্রতি নিষ্টাবান থাকা আমার পবিত্র দায়িত্বের অন্তর্ভূক্ত।

আল্লাহ আমাকে আমার শপথের উপর অবিচল থাকার তাওফিক দিন – আমিন।

Quisque eleifend velit id metus ullamcorper tristique. Integer vel commodo ex. Pellentesque sed ultrices tellus. Integer lobortis et lorem vitae ullamcorper Tempus interdum ligula proin aptent ornare eu Pede, dignissim lacinia odio arcu augue platea habitant nibh lectus. Platea nostra. Aliquam posuere fringilla aptent quisque consectetuer. Bibendum et amet. Nisl. Luctus. Eros malesuada facilisis

Image Gallery

Virtutis, magnitudinis animi, patientiae, fortitudinis fomentis dolor mitigari solet. Utrum igitur tibi litteram videor an totas paginas commovere. Tu autem cum ipse tantum librorum habeas, quos hic tandem requiris? Paria sunt igitur. Quis tibi ergo istud dabit praeter Pyrrhonem, Aristonem eorumve similes, quos tu non probas.

Goreebfunds

Donation Basket

Total Donations:

£0.00


Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of default output handler (0) in /home/gytfdemo/public_html/wp-includes/functions.php on line 5277